জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুসিয়ার বার্ষক মাহফিল ২০১৪

নারায়ে তাকবীর দ্বীন ইসলাম আল্লাহু আকবার জিন্দাবাদ _________________________ শায়খুল ইসলাম আল্লামা সাইয়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রহঃ) এর সুযোগ্য জামাতা, বিশ্ববিখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দ এর নায়েবে মোহতামীম আল্লামা হাফেজ ক্বারী ওসমান সাহের (দাঃবাঃ) ও আমিরুল মিল্লাত শায়খুল আরব ওয়াল আযম আওলাদে রাসূল (সাঃ) আল্লামা আসআদ আল মাদানী (রহঃ)এর সুযোগ্য সাহেবজাদা খলীফা ও জানেশীন আল্লামা সাইয়্যিদ মাহমূদ আল মাদানী (দাঃবাঃ) দেওবন্দ ভারত =====এর শুভাগমন===== জামিয়া ইসলামিয় ইউনুসিয়া-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া এর _____////১০১তম\\\\_____ >>>>>বার্ষিক সভা<<<<<> আল্লামা আশেকে এলাহী ইব্রাহিমী দাঃবাঃ ছদরে মুহতামীম অত্র মাদ্রাসা ______________________:-/ এতে দেশ বরেণ্য উলামায়ে কেরাম তাশরীফ আনিবেন , উক্ত মাহফিলে যোগদান করে দুজাহানে অশেষ কামিয়াবী হাসিল করুন ।

Advertisements

১৪ই ফেব্রুয়ারীতে নোংরামী কেন?

প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারী পালিত হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস । ভালোবাসার নামে সংঘটিত হয় বিভিন্ন অশ্লীল ও কুরুচিপৃর্ণ কার্যকলাপ । এ দিবসটি বাঙালী কিংবা মুসলিম সংস্কৃতির অংশ নয় । তথাপি প্রকৃত ব্যাপারটি না বুঝে আমাদের উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা ভালোবাসা দিবসের নামে নতুন এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কদর্যপূর্ণ কাজে লিপ্ত হচ্ছে । অথচ এ দিবসটি পালন করা নাজায়িয় অর্থাত্‍ সম্পূর্ণ শরীয়ত বিরোধী । এ দিবসকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে বলা হলে ও মূলত এ দিবসের মূল নাম সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে । এই সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর ইতিহাস অনেকেরই অজানা । একজন রোমান খৃস্টান পাদ্রীর নাম সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ।তার কাহিনীর ওপর বিত্তি করেই এ দিনের নামকরণ ও সূচনা । সময়টা ছিল ২৭০ খৃস্টাব্দ । সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ছিলেন অকাধারে গির্জার পাদ্রী ও চিকিত্‍সক । খৃস্টধর্ম প্রচারের অভিযোগে রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লাডিয়াস তাকে কারাবন্দী করেন । জেলে থেকে তিনি ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের প্রচুর ভালোবাসার চিঠি পান । অপরদিকে কারারক্ষীর ছিল একটি অন্ধ মেয়ে । তিনি তার চিকিত্‍সা করে দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে আনেন । এতে তার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায় । ফলে রোমান সম্রাট ঈর্ষাম্বিত হয়ে তাকে হত্যা করেন । সে দিনটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারী । মৃত্যুর পূর্বে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন সে মেয়েকে একটি চিঠি লিখেন এতে লেখা ছিল “ফ্রোম ইয়োর ভ্যালেন্টাইন”।সেই ঘটনার সূত্রে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নাম অনুসারে পোপ সম্রাট প্রথম জুলিয়াস ৪৯৬খৃস্টাব্দে ১৪ফেব্রুয়ারীকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে হিসেবে ঘোষনা করেন । বাঙালীরা এ দিবসের সাথে পরিচিত হয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার মধ্যমে । দুঃখজনক হলে ও সত্য , মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে এ দিবসটি পালিত হয় নাজায়িয় প্রেমপত্র, প্রেমকার্ড, এসএমএস,ফুল, বই, বিনিময়, প্রেমিক প্রেমিকার অকান্ত আড্ডা,ও নানা রকম নোংরামী কার্যকলাপের মধ্যমে । যা সম্পূর্ণ নাজায়িয় ও হারাম ।তাই এদেশের সকল ধর্মপ্রাণ সচেতন মানুষের উচিত অন্যায় ও অনাচার রোধকল্পে ভালোবাসা দিবসের নামে নির্লজ্জ বেহায়াপনা দিবস পালনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো । ***** মূল লেখক *****
হাফেজ ব্লগার এইচ রহমত
*******লিখেছেন******* হাফেজ মোঃ দ্বীধ আলম রসূলপুরী মোহাম্মাদ ইসমাঈল খান date:৩০-০১-২০১৪ইং

আধুনিক নারী বনাম সোনালী যুগের নারী

বর্তমান মুসলমান নারী সমাজের চলন বলনের প্রতি লক্ষ্য করলে বুঝা যায় যে, আমাদের বেশিরভাগ নারী সমাজ বেহায়াপনার দিকে অগ্রসর হচ্ছে । তারা বোরকাকে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করছে । যে উদ্দেশ্যে বোরকা ব্যবহার করছে তা হাসিল হচ্ছে না । ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় যুবতী নারীরা মাথা উলঙ্গ করে হাঁটে ।ওড়নাকে বুকের সাথে ফিটিং করে বেহায়ার মতো সেজেগুজে যত্রতত্র যায় আসে । বুক উঁচিয়ে কোমর দুলিয়ে তারা হাঁটে হাসাহাসি করে ঢলাঢলি করে । সুস্ত ছেলেদের এরা মাথা খারাপ করে দেয় । পরিনামে ঘটছে ধর্ষণ অপহরণের মত অঘটন । স্কুল কলেজ ও বিবিধ জায়গায় যাওয়ার সময় তারা যেরকম করে সাজে এবং যেভাবে অভিনয় করে চলে মনে হয় ফিল্মের কোন নায়িকা যাচ্ছে । আর এরা বিকেল হলে ছাদে রাস্তায় মাঠে ঘাটে গাছতলায় বাঁশতলায় পার্কে ও বাগানে খালি মাথায় ওড়না ঘাড়ের উপর রেখে সামনে পেছনে ঝুলিয়ে বন্ধু বান্ধবদের সাথে খোশ গল্পে লিপ্ত হয়ে যায় । ইদানিং দেখা যায় যে তারা রাস্তায় মিছিল মিটিং এ যাচ্ছে এমনকি তারা নাছতে ও দেখা যায় । শাহবাগ নামক স্হানেত তাদের কোনো অবাব ই নেই মিছিল করছে শ্লোগান দিচ্ছে যেন কোন নারীর ফেক্টুরী খুলেছে তারা । শাহবাগ কি এটা কোন আন্দোলন হল এটা হল নারীকে রাস্তায় নামানো এটাই তাদের উদ্দেশ্য । বলতে দেখা যায় ”দিনে চলে গর্জন রাতে চলে ধর্ষণ এর নাম আবার শাহবাগ আন্দোলন “এমন যদি হয় তাহলে ভন্ডামির পথ ছেড়ে তওবা করে ভাল যেন হতে পারে তাদেরকে আল্লাহ হেদায়াত দান করুন । আমীন । যাক আলোচনায় আসি আমাদের নারী সমাজ আজ কি হয়ে যাচ্ছে অথচ সোনালী যুগের নারীরা এমন ছিলেন যে , এক নারীর ছেলে যুদ্ধের ময়দানে শহীদ হয় তিনি তার খুঁজে বোরকা পরে হুজুর (সাঃ)এর খেদমতে উপস্তিত হন তখন হুজুর (সাঃ) এর নিকট যার উপস্তিত ছিলেন তারা সবাই আশ্চর্য হয়ে বলেন এত পেরেশানীতে ও তিনি পর্দা ছারলেন না ! মহিলা সাহাবী (রাঃ) এর উত্তরে বলেন আমি আমার ছেলে হারিয়েছি বটে লজ্জা তো হারায়নি । (আবু দাউদ শরীফ ১ম খন্ড পৃষ্টা ৩৪৪) । মহান আল্লাহ ঘোষনা করেন “(হে নবী) মুমিন নারীগণে বলে দিন তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং লজ্জাস্হানসমূহের হেফাজত করে এবং নিজ সৌন্দর্যকে প্রদর্শন না করে শুধু ঐ সৌন্দর্য ব্যতিত যা সাধারনত প্রকাশিত হয়ে পড়ে এবং তারা যেন নিজ নিজ বক্ষসমূহের উপড় ওড়না বা চাদর টেনে দেয় (সূরা নূর ৩১) এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেন “মেয়েরা লুকান বস্তু (অর্থাত্‍ মেয়েদের জন্য পর্দা জরুরী )কেননা যখন তারা বাইরে যায় তখন শয়তান তাদের প্রতি কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করে । চরিত্রহীন লোক যারা মেয়েদের প্রতি কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করে এরা শয়তান” । (তিরমিযী) হে আমাদের মুসলিম নারী সমাজ ! আসুন অনর্থক মুক্তির স্বপ্নে হাবুডুবু না খেয়ে প্রগতির শ্লোগানে রাজপথ কালো না করে জাহান্নামের পথ ত্যাগ করে এবং ইসলামের বিধান মত আদর্শ জীবন গড়ে ইহজগত ও পরজগতকে জান্নাতে পরিণত করি ।